বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি/আহ্বায়ক গ্রুপে সাংগঠনিক অগ্রগতি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি/আহ্বায়ক গ্রুপের আওতায় গত ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ইং, রাত ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান তালুকদার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান জালাল।
সভায় মাঠ পর্যায়ে চলমান সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন অগ্রগতি, সদস্য সংগ্রহের নীতি ও কর্মপদ্ধতি এবং প্রচার-প্রসার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন,
“কৃষকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে একটি দীর্ঘমেয়াদী সংগঠিত শক্তি গড়ে তুলতে হলে মাঠ পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশ এবং সদস্য-ভিত্তিক সংগঠন কাঠামো সুদৃঢ় করতে হবে।”
এছাড়াও সভায় নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ঃ
- আগামী সাত দিনের মধ্যে সংগঠনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
- কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল নেতৃবৃন্দকে সদস্য ফরম, কমিটি ফরম ও লিফলেট মাঠ পর্যায়ে সরাসরি প্রচারণায় ব্যবহার করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
- এছাড়া সভায় সংগঠনের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে পরিচালনার জন্য আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে একটি অর্থনৈতিক বাজেট প্রণয়ন করার জন্য সভাপতির প্রতি প্রস্তাব করা হয়।
সভাপতি বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট ঘোষণা করবেন বলে আশ্বাস দেন।
- সংগঠনের প্রচার-প্রসার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সদস্য এম. এ. মাসুদ ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) লিফলেট প্রদান করার অঙ্গীকার করেন, যা সভায় উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহের সৃষ্টি করে।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি, আহ্বায়ক ও নেতৃবৃন্দ। তারা মাঠ পর্যায়ের কর্মকাণ্ড, অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
পরিশেষে সভাপতি মহোদয় সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন:
“সংগঠন বড় হবে কাজের মাধ্যমে, উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে। কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর পথ আমাদের নিজেদের হাতে।”
সভা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মাধ্যমে সমাপ্ত করা হয়।
